Thursday, January 8, 2026

হাদির ওপর হামলা: রাতেই সারা দেশে ‘অলআউট’ অভিযান

আরও পড়ুন

ইনকিলাব মঞ্চের আহ্বায়ক শরীফ ওসমান হাদির ওপর হামলার পর শুক্রবার রাতেই সারা দেশে ‘অলআউট’ অভিযান চালাবে পুলিশ।

শুক্রবার রাতে মোবাইল ফোনে দেশের অন্যতম একটি অনলাইনকে এ তথ্য দিয়েছেন পুলিশের আইজি মো. বাহারুল আলম।

আইজিপির ধারণা, নির্বাচনে নেতিবাচক প্রভাব ফেলতেই এ হামলা চালানো হয়েছে।

হাদি হত্যাচেষ্টার তদন্তের অগ্রগতি সম্পর্কে জানতে চাইলে তিনি বলেন, “অগ্রগতি সম্পর্কে আমরা এ মুহূর্তে বলছি না; আমরা কাজ করছি এবং বিফল হব না।

এ হামলার কারণে রাজনীতিতে বা আগামী নির্বাচনে প্রভাব পড়বে না মন্তব্য করে আইজিপি বলেন, “দেখেন, একটা যুদ্ধ হচ্ছে হামলাকারী এবং এর পেছনে কারা আছেন, তা খুঁজে বের করা। এটা আমরা অবশ্যই করব।

শুক্রবার রাতে অলআউট অভিযান শুরুর কথা জানিয়ে আইজিপি বলেন, “আমরা সব ধরনের সন্ত্রাসী কার্যকলাপের বিরুদ্ধে সবাই মিলে অলআউট অভিযানে যাব। আজ সারারাত সারাদেশেই আমরা এ ধরনের অভিযান চালাব।”

হাদিকে গুলি করা সন্ত্রাসীরা শনাক্ত, যেকোনো সময় গ্রেপ্তার: ডিএমপি কমিশনার
ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র ও ঢাকা-৮ আসনের স্বতন্ত্র সংসদ সদস্য প্রার্থী শরিফ ওসমান বিন হাদিকে গুলি করা সন্ত্রাসীদের শনাক্ত করেছে পুলিশ। যেকোনো সময় তাদের গ্রেপ্তার করা হতে পারে। শুক্রবার (১২ ডিসেম্বর) রাত ১২টার দিকে দেশের একটি অন্যতম টিভি চ্যানেলকে এ তথ্য জানিয়েছেন ডিএমপি কমিশনার শেখ মো. সাজ্জাত আলী।তিনি জানান, ওসমান হাদিকে গুলি করা সন্ত্রাসীদের শনাক্ত করা হয়েছে। যেকোনো সময় তাদের গ্রেপ্তার করা হবে। এ বিষয়ে কাজ চলছে।এফএস

হাদিকে গুলি: হামলাকারীদের গ্রেপ্তার নিয়ে ডিএমপির বিজ্ঞপ্তি
ঢাকা-৮ আসনের সম্ভাব্য স্বতন্ত্র সংসদ সদস্য প্রার্থী ও ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র শরিফ ওসমান হাদির ওপর হামলাকারীদের গ্রেপ্তারে কাজ করছে ঢাকা মহানগর পুলিশ (ডিএমপি)। একইসঙ্গে জড়িতদের সম্পর্কে কোনো তথ্য থাকলে তা নিকটস্থ থানা অথবা ৯৯৯ নাম্বারে পুলিশকে অবহিত করার জন্য বিনীত অনুরোধ করা হয়েছে।শুক্রবার (১২ ডিসেম্বর) সন্ধ্যায় ডিএমপির মিডিয়া অ্যান্ড পাবলিক রিলেশন্স বিভাগের উপ-পুলিশ কমিশনার মুহাম্মদ তালেবুর রহমানের স্বাক্ষর করা এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।এতে বলা হয়, শুক্রবার দুপুর আড়াইটার দিকে রাজধানীর বিজয়নগর বক্স কালভার্ট এলাকায় মোটরসাইকেল আরোহী কয়েকজন দুর্বৃত্ত ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র ওসমান হাদিকে লক্ষ্য করে গুলি করে পালিয়ে যায়। এতে তিনি গুরুতর আহত হয়ে বর্তমানে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন। ডিএমপি এই ন্যক্কারজনক ও কাপুরুষোচিত হামলার তীব্র নিন্দা জানাচ্ছে। ‘ঘটনার সংবাদ পাওয়ার পর পরই পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে এবং ঘটনাস্থলের আশপাশের সিসিটিভি ফুটেজ সংগ্রহ ও বিশ্লেষণ করে জড়িতদের শনাক্ত ও গ্রেপ্তারে আন্তরিক প্রচেষ্টা অব্যাহত রেখেছে। থানা পুলিশের পাশাপাশি ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ হামলাকারীদের গ্রেপ্তারে সন্দেহভাজন ব্যক্তি ও স্থানগুলোতে তল্লাশি চালাচ্ছে।’বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়, সম্প্রতি ঘটে যাওয়া বিভিন্ন চাঞ্চল্যকর ঘটনার মতো এই ন্যক্কারজনক হামলার ঘটনায় জড়িতদের ও দ্রুত গ্রেপ্তার করা সম্ভব হবে বলে আমরা বিশ্বাস করি। এই ঘটনায় নগরবাসীকে আতঙ্কিত না হয়ে ঘটনায় জড়িতদের সম্পর্কে কোনো তথ্য থাকলে তা নিকটস্থ থানা অথবা ৯৯৯ নাম্বারে পুলিশকে অবহিত করার জন্য বিনীত অনুরোধ করেছে ডিএমপি। এ ছাড়া সুষ্ঠু নির্বাচনের জন্য আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি সমুন্নত রাখা এবং নগরবাসীর জানমালের নিরাপত্তা রক্ষার জন্য ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ আন্তরিকভাবে কাজ করছে বলেও সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়।এফএস

আরও পড়ুনঃ  আপনাদের শেষ সুযোগ দেওয়া হচ্ছে, নিজেদের সংশোধন করুন : ইশরাক

বিয়ে ও তালাক নিবন্ধন ডিজিটালাইজ করার নির্দেশ হাইকোর্টের
সরকারকে বিয়ে ও তালাক নিবন্ধন ডিজিটালাইজ করার নির্দেশ দিয়েছেন হাইকোর্ট। আজ বৃহস্পতিবার (১১ ডিসেম্বর) এ সংক্রান্ত একটি রিট মামলার চূড়ান্ত শুনানি নিয়ে বিচারপতি ফাহমিদা কাদের ও বিচারপতি মোহাম্মদ আসিফ হাসানের বেঞ্চ রায় ঘোষণা করে।রিটকারীর পক্ষে শুনানি করেন অ্যাডভোকেট ইশরাত হাসান; সঙ্গে ছিলেন আইনজীবী তানজিলা রহমান।রায়ের পর্যবেক্ষণে আদালত বলেছেন, বর্তমান ব্যবস্থায় বিয়ে ও তালাকের তথ্য কার্যকরভাবে যাচাই করা সম্ভব হয় না, যা পারিবারিক স্থিতিশীলতাকে ক্ষুণ্ন করে এবং অনেক ক্ষেত্রে সন্তানের বৈধতা নিয়েও জটিলতা তৈরি হয়। এছাড়া কোনো অপারেশনাল ও কার্যকর ডিজিটাল ডেটাবেস না থাকায় প্রতারণার সুযোগ তৈরি হয়, যা নাগরিকের সম্মান ও মৌলিক অধিকার-সংবিধানের ৩১ ও ৩২ অনুচ্ছেদে স্বীকৃত মানবিক মর্যাদা-লঙ্ঘন করে।রায়ে বলা হয়, রাইট টু লাইফ শুধু বেঁচে থাকার অধিকার নয়, এটি মানবিক মর্যাদা রক্ষার অধিকারকেও অন্তর্ভুক্ত করে।নিবন্ধন সংক্রান্ত আইন থাকলেও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ এখনো কোনো পূর্ণাঙ্গ, অপারেশনাল ও কার্যকর ডিজিটাল ব্যবস্থা তৈরিতে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নিতে ব্যর্থ হয়েছে বলে রায়ে পর্যবেক্ষণ দিয়েছেন হাইকোর্ট।এইচএ

সরকার উৎখাতে ষড়যন্ত্র মামলায় সাংবাদিক শওকত মাহমুদ রিমান্ডে
সরকার উৎখাতে ষড়যন্ত্র করার অভিযোগে রমনা মডেল থানায় সন্ত্রাস বিরোধী আইনে করা মামলায় জাতীয় প্রেস ক্লাবের সাবেক সভাপতি ও জনতা পার্টি বাংলাদেশের মহাসচিব সিনিয়র সাংবাদিক শওকত মাহমুদের ৫ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেছেন আদালত।আজ বৃহস্পতিবার (১১ ডিসেম্বর) দুপুরে শুনানি শেষে ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট ফাহমিনা খন্দকার আন্না’র আদালত এই রিমান্ড মঞ্জুর করেন।গত ৭ ডিসেম্বর বিকেলে রাজধানীর মালিবাগ থেকে তাকে গ্রেপ্তার করে ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)।৮ ডিসেম্বর সাংবাদিক শওকতকে ঢাকার চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে হাজির করে দশ দিনের রিমান্ড চান মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা ডিবির রমনা বিভাগের পুলিশ পরিদর্শক মো. আখতার মোর্শেদ। তবে এইদিন মামলার মূল নথী না থাকায় তাকে কারাগারে পাঠিয়ে রিমান্ড শুনানি জন্য বৃহস্পতিবার দিন ধার্য করেছিলেন আদালত।সাংবাদিক শওকত মাহমুদের রিমান্ড বাতিলপূর্বক জামিনের আবেদন করলে বিচারক তা নাকচ করে দেন।গত ১৩ সেপ্টেম্বর সকালে বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত মার্কিন নাগরিক এনায়েত করিমকে (৫৫) গ্রেপ্তার করে পুলিশ। সেদিন রাজধানীর মিন্টো রোড এলাকায় একটি প্রাডো গাড়িতে করে সন্দেহজনকভাবে ঘোরাফেরা করছিলেন তিনি। পুলিশ গাড়ি থামিয়ে তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করলে তিনি ওই এলাকায় অবস্থানের বিষয়ে কোনো সদুত্তর দিতে পারেননি।এরপর তাকে সন্দেহভাজন হিসেবে আটক করে ৫৪ ধারায় গ্রেপ্তার দেখানো হয়। পরবর্তীতে তার বিরুদ্ধে রমনা থানায় সন্ত্রাসবিরোধী আইনে মামলা দায়ের করে পুলিশ। সেই মামলার সূত্র ধরেই শওকত মাহমুদকে গ্রেপ্তার করা হয়।সাংবাদিক শওকত মাহমুদ দীর্ঘ সময় বিএনপির রাজনীতির সঙ্গে সক্রিয়ভাবে যুক্ত ছিলেন। তিনি দলটির ভাইস চেয়ারম্যানের দায়িত্বও পালন করেছেন। তবে বর্তমানে তিনি জনতা পার্টি বাংলাদেশের মহাসচিব হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন।এইচএ

আরও পড়ুনঃ  কুরআন-সুন্নাহ ভিত্তিক আইন বাস্তবায়নে অঙ্গীকারবদ্ধ বিএনপি: মির্জা ফখরুল

মোহাম্মদপুরে মা-মেয়ে খুন: আয়শার ৬ দিন, স্বামীর ৩ দিনের রিমান্ড
রাজধানীর মোহাম্মদপুরে মা ও মেয়েকে খুনের ঘটনায় দায়ের করা মামলায় গ্রেফতার গৃহকর্মী আয়েশার ৬ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেছেন আদালত। একইসঙ্গে, তার স্বামী রাব্বির ৩ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার (১১ ডিসেম্বর) ঢাকার মেট্রোপলিটন মাহবুব আলমের আদালত শুনানি শেষে এ আদেশ দেন।এদিন তাদের আদালতে হাজির করে মামলার তদন্ত কর্মকর্তা মোহাম্মদপুর থানার উপ-পরিদর্শক মো. সহিদুল ওসমান মাসুম প্রত্যেকের ১০ দিন করে রিমান্ড আবেদন করেন।রাষ্ট্রপক্ষে ঢাকা মহানগর দায়রা জজ আদালতের সহকারী পাবলিক প্রসিকিউটর হারুন-অর-রশিদ রিমান্ডের পক্ষে শুনানি করেন। তবে, আসামিপক্ষে কোনো আইনজীবী ছিলেন না। পরে আদালত আসামি আয়েশার ৬ দিন এবং তার স্বামী রাব্বি শিকদারের তিন দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন।এমআর-২

পঞ্চদশ সংশোধনীর কিছু বিষয় সংসদের হাতে ছেড়ে দেয়া উচিত: অ্যাটর্নি জেনারেল
পঞ্চদশ সংশোধনীর কিছু কিছু বিষয় থাকার দরকার; কিছু কিছু পরবর্তী সংসদের হাতে ছেড়ে দেয়া উচিত বলে আপিল বিভাগকে জানালেন অ্যাটর্নি জেনারেল মো. আসাদুজ্জামান।আজ বৃহস্পতিবার (১১ ডিসেম্বর) সকালে পঞ্চদশ সংশোধনীর হাইকোর্টের রায়ের বিরুদ্ধে আপিল বিভাগে শুনানি শুরু করে রাষ্ট্রপক্ষ। এ সময় প্রধান বিচারপতি ড. সৈয়দ রেফাত আহমেদ অ্যাটর্নি জেনারেলকে বলেন, জামায়াতের আইনজীবী বলেছেন এখন পঞ্চদশ সংশোধনীর শুনানি শেষ না করে তা মুলতবি রেখে পরবর্তী সংসদের হাতে ছেড়ে দেয়া উচিৎ এটি নিয়ে তাদের মত কি? উত্তরে অ্যাটর্নি জেনারেল বলেন, তারা চান এটার শুনানি শেষ হয়ে যাক এবং একটা রায় আসুক আপিল বিভাগ থেকে। এ সময় প্রধান বিচারপতি বলেন, আমরা আগের আপিল বিভাগের মত কোনো রায় দিতে চাইনা; যা নিয়ে প্রশ্ন ওঠে। কয়েকদিন পরে নতুন আপিল বিভাগ গঠিত হবে সেখানে এটির শুনানি হলে কেমন হয় অথবা যদি শুনানিতে একটা দীর্ঘ মুলতবি করা হয় তাহলে তো সব পক্ষই সুবিধা পায়। পরে ফের শুনানি শুরু করে অ্যাটর্নি জেনারেল বলেন, তারা আজই এর শুনানি শেষ করবেন। তত্ত্বাবধায়ক সরকারব্যবস্থা বিলোপসহ বেশ কিছু বিষয়ে পরিবর্তন এনে ২০১১ সালের ৩০ জুন পঞ্চদশ সংশোধনী আইন জাতীয় সংসদে পাস হয়। তত্ত্বাবধায়ক সরকারব্যবস্থা বিলোপসহ ওই সংশোধনীতে সংবিধানে ৫৪টি ক্ষেত্রে পরিবর্তন এসেছিল।জুলাই গণ–অভ্যুত্থানে আওয়ামী লীগ ক্ষমতাচ্যুত হওয়ার পর পঞ্চদশ সংশোধনীর পুরো আইন ও আইনের কয়েকটি ধারার বৈধতা নিয়ে গত বছর হাইকোর্টে আলাদা দুটি রিট হয়। সুশাসনের জন্য নাগরিকের (সুজন) সম্পাদকসহ পাঁচ ব্যক্তি একটি এবং নওগাঁর বাসিন্দা মো. মোফাজ্জল হোসেন আরেকটি রিট করেন। চূড়ান্ত শুনানি শেষে গত বছরের ১৭ ডিসেম্বর হাইকোর্ট রায় দেন।রায়ে তত্ত্বাবধায়ক সরকারব্যবস্থা বিলুপ্তি–সংক্রান্ত পঞ্চদশ সংশোধনী আইনের ২০ ও ২১ ধারা সংবিধানের সঙ্গে সাংঘর্ষিক ও বাতিল ঘোষণা করা হয়। এই দুটিসহ পঞ্চদশ সংশোধনী আইনের মাধ্যমে সংবিধানে যুক্ত ৭ক, ৭খ, ৪৪(২) অনুচ্ছেদ সংবিধানের সঙ্গে সাংঘর্ষিক ও বাতিল ঘোষণা করা হয়। রায়ে গণভোটের বিধানসংক্রান্ত ১৪২ অনুচ্ছেদ (দ্বাদশ সংশোধনী আইনের মাধ্যমে আনা) পুনর্বহাল করা হয়। পঞ্চদশ সংশোধনী আইন সম্পূর্ণ বাতিল না করে অন্য বিধানগুলোর বিষয়ে আইন অনুসারে পরবর্তী সংসদ সিদ্ধান্ত নিতে পারে বলে রায়ে উল্লেখ করা হয়।হাইকোর্টের রায়ের বিরুদ্ধে পৃথক তিনটি আপিল হয়। সুজন সম্পাদকসহ চার ব্যক্তি একটি আপিল করেন। নওগাঁর বাসিন্দা মো. মোফাজ্জল হোসেন একটি এবং জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারি জেনারেল আরেকটি আপিল করেন। আপিলের ওপর ৩ ডিসেম্বর (গত বুধবার) শুনানি শুরু হয়। এর ধারাবাহিকতায় ৪, ৭ ও ৮ ডিসেম্বর এবং ১০ ডিসেম্বর শুনানি হয়। আদালতে বদিউল আলম মজুমদারসহ চার ব্যক্তির পক্ষে শুরুতে শুনানি করেন জ্যেষ্ঠ আইনজীবী শরীফ ভূঁইয়া।গতকাল শিশির মনির বলেন পঞ্চদশ সংশোধনী আইন পুরো বাতিল হলে আবার বাকশাল ফিরে আসবে। সংবিধান থেকে ‘বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহিম’ বাদ পড়ে যাবে। যেভাবে আছে, সেভাবে থাকলে বৃহত্তর দৃষ্টিকোণে দেখার সুযোগ বেশি থাকবে। আর এই ব্যাপ্তিটা খোলা থাকা উচিত, গণভোটের ফলাফলের ভিত্তিতে যেন সংবিধান সংস্কার পরিষদ বিষয়গুলোতে উপযুক্ত পদক্ষেপ নিতে পারে।এইচএ

আপনার মতামত লিখুনঃ

আরও পড়ুন

সর্বশেষ সংবাদ