Thursday, January 8, 2026

পদত্যাগ করলেন মাহফুজ আলম ও আসিফ মাহমুদ

আরও পড়ুন

অন্তর্বর্তী সরকারের উপদেষ্টা পদ থেকে পদত্যাগ করলেন মাহফুজ আলম ও আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া। আজ বুধবার (১০ ডিসেম্বর) তারা প্রধান উপদেষ্টার কার্যালয়ে পদত্যাগপত্র জমা দিয়েছেন।

তাদের মধ্যে আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া ছিলেন স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয় এবং যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বে। আর মাহফুজ আলম ছিলেন তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বে।

২০২৪ সালের ৫ আগস্ট জুলাই গণ-অভ্যুত্থানে আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর ৮ আগস্ট ড. মুহাম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বে অন্তবর্তী সরকার গঠিত হয়। সেই পরিষদে শুরু থেকেই ছিলেন আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া।

অন্যদিকে মাহফুজ আলম শুরুতে প্রধান উপদেষ্টার বিশেষ সহকারী ছিলেন। নিয়োগ পান গত বছরের ২৮ আগস্ট। পরে ১০ নভেম্বর তিনি উপদেষ্টা হিসেবে শপথ নেন। তবে সে সময় তাঁকে কোনো মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব দেওয়া হয়নি। নাহিদ ইসলাম পদত্যাগ করার পর তাঁকে তথ্য উপদেষ্টার দায়িত্ব দেওয়া হয়।

‘ভারতীয় নাগরিকদের বাংলাদেশে ঠেলে পাঠানো হচ্ছে’
ভারতীয় নাগরিকদের বাংলাদেশে ঠেলে পাঠানো হচ্ছে বলে জানিয়েছেন পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা ব্যানার্জি। ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনীর (বিএসএফ) প্রতি ইঙ্গিত করে তিনি বলেন, ভারত-বাংলাদেশ সীমান্তে যা করা হচ্ছে তা ‘বাড়াবাড়ি’।সোমবার পশ্চিমবঙ্গ রাজ্যের কোচবিহারে স্থানীয় কর্মকর্তাদের সঙ্গে বৈঠকে তিনি এসব কথা বলেন। খবর দ্য ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেসের।মমতা ব্যানার্জি বলেন, ‘ভারতীয় নাগরিকদের বাংলাদেশে ঠেলে পাঠানো হচ্ছে। আমি রাজ্য পুলিশকে বলব, ভয় পাবেন না। একটু সক্রিয় হোন। নাকা (তল্লাশি) অপারেশনের ওপর জোর দিতে হবে।’বাসিন্দাদের ওপর হয়রানির অভিযোগ করে তিনি বলেন, ‘কোচবিহার একটি সীমান্ত জেলা। সীমান্তে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি বজায় রাখতে হবে। কোনো বাড়াবাড়ি সহ্য করা হবে না। কেউ বাংলা বললেই সে বাংলাদেশি হয়ে যায় না। বাংলাদেশ একটি দেশ এবং পশ্চিমবঙ্গ একটি রাজ্য।’মমতা ব্যানার্জি আরও বলেন, উত্তর প্রদেশের অনেকে উর্দু বলেন। পাকিস্তানিরাও উর্দু বলেন। পাকিস্তানেও একটি পাঞ্জাব আছে। ভারতেও পাঞ্জাব আছে। দুই পাশের বাসিন্দারা পাঞ্জাবি বলেন। বাংলার বাসিন্দাদের হয়রানি করা হচ্ছে।এমআর-২

আগামীকাল সন্ধ্যায় তফসিল ঘোষণা
আগামীকাল বৃহস্পতিবার সন্ধ্যা ৬টায় জাতীয় সংসদ নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা করা হবে বলে জানিয়েছেন নির্বাচন কমিশনের সিনিয়র সচিব আখতার আহমেদ।বুধবার (১০ ডিসেম্বর) বিকেল ৪টায় আগারগাঁওয়ের নির্বাচন ভবনে নিজ কার্যালয়ে বাংলাদেশ টেলিভিশন (বিটিভি) ও বেতারে তফসিল ঘোষণার ভাষণ রেকর্ড করেন প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) এ এম এম নাসির উদ্দিন।ভাষণ রেকর্ডের পর সব কমিশনার সিইসির রুমে বৈঠক করেন। বৈঠক শেষে নির্বাচন কমিশনের সিনিয়র সচিব আখতার আহমেদ সাংবাদিকদের বিস্তারিত জানান।বিস্তারিত আসছে…এমআর-২

আরও পড়ুনঃ  দেশকে সংকটমুক্ত রাখতে বিএনপিকেই ক্ষমতায় আনতে হবে: ভিপি নুর

‘ভারত শেখ হাসিনাকে ফেরত না দিলে কিছুই করার নেই’
ক্ষমতাচ্যুত সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে ফেরত পাঠানোর বিষয়ে ভারত রাজি না হলে বাংলাদেশের তেমন কিছু করার নেই বলে জানিয়েছেন পররাষ্ট্র উপদেষ্টা মো. তৌহিদ হোসেন।বুধবার (১০ ডিসেম্বর) পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা বলেন।সম্প্রতি ভারতের পররাষ্ট্রমন্ত্রী এস জয়শঙ্কর বলেন, ভারতে আশ্রয় নেওয়া শেখ হাসিনা সেখানেই থাকবেন কি না- এ সিদ্ধান্ত সম্পূর্ণই তার নিজের।সেই মন্তব্যের প্রতিক্রিয়ায় পররাষ্ট্র উপদেষ্টা তৌহিদ হোসেন বলেন, আমরা কী করতে পারি বলেন? করণীয় তেমন কিছু নেই। ভারতকে রাজি হতে হবে অথবা চাইতে হবে তাকে ফেরত পাঠাতে। রাজি না হলে আমাদের কিছু করার থাকে না। আমরা শুধু রাজি করানোর চেষ্টা করতে পারি- এর বেশি কিছু নয়।এদিকে, ভারতে অবস্থানরত ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার তৃতীয় দেশে স্থানান্তরের আলোচনা আছে। এ বিষয়ে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় কিছু জানে কি না- এমন প্রশ্নে পররাষ্ট্র উপদেষ্টা বলেন, আমরাও আপনাদের মতো শুনেছি। এটা আমার কিছু করার নেই। বাংলাদেশেরও কিছু করার নেই। আমরা চাই উনি ফেরত আসুক।গত বছরের ৫ আগস্ট ছাত্র–জনতার অভ্যুত্থানে ক্ষমতাচ্যুত হয়ে শেখ হাসিনা ভারতে আশ্রয় নেন। সেখানেই তিনি অবস্থান করছেন। আন্দোলন দমনে হত্যাকাণ্ডসহ মানবতাবিরোধী অপরাধের অভিযোগে গত মাসে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল শেখ হাসিনাকে মৃত্যুদণ্ড দেন।রায়ের পর বাংলাদেশের অন্তর্বর্তী সরকার ভারত তাকে ফেরত পাঠানোর অনুরোধ জানালেও নয়াদিল্লি এখনো কোনো ইতিবাচক সাড়া দেয়নি। সর্বশেষ, প্রত্যার্পণ চুক্তির আওতায় আনুষ্ঠানিক কূটনৈতিক পত্র পাঠিয়েছে ঢাকা।এমআর-২

নির্বাচনী দায়িত্ব পালনে ১৯ কোটি টাকা বরাদ্দ চেয়েছে ফায়ার সার্ভিস
আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোটের দায়িত্ব পালনের জন্য ১৯ কোটি টাকা বরাদ্দ চেয়েছে ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স অধিদপ্তর।সম্প্রতি অধিদপ্তরের মহাপরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মুহাম্মদ জাহেদ কামাল এই বরাদ্দ চেয়ে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিবের কাছে চিঠি দিয়েছেন, যার অনুলিপি নির্বাচন কমিশন (ইসি) সচিবের কাছেও পাঠানো হয়েছে। চিঠিতে বলা হয়েছে, ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স অধিদপ্তরের আওতাধীন কর্মকর্তা/কর্মচারীদের “ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকালীন নির্বাচনের পূর্বে, নির্বাচনকালীন এবং নির্বাচন পরবর্তী সময়কালে জেলা ও উপজেলা প্রশাসন, আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় নিয়োজিত বাহিনীগুলোকে সহযোগিতা প্রদান এবং অগ্নি নিরাপত্তা নিশ্চিতকল্পে” জনবল ও সরঞ্জামাদি সর্বোতভাবে মোতায়েন থাকে। এজন্য ১৯ কোটি ৯ লাখ ৩৮ হাজার ১২০ টাকা বরাদ্দ দেওয়া প্রয়োজন।এই অবস্থায় মহাপরিচালক মোট ছয়টি খাত উল্লেখ করে ওই অর্থ বরাদ্দ দেওয়ার জন্য অনুরোধ জানিয়েছেন। খাতগুলো হলো— দৈনিক খোরাকি ভাতা, আপ্যায়ন ব্যয়, পেট্রোল ও লুব্রিক্যান্ট, অন্যান্য মনিহারি, ব্যবস্থাপনা ব্যয় এবং মেশিন ও সরঞ্জামাদি ভাড়া।এই মোট ছয়টি খাতের মধ্যে সবচেয়ে বেশি চাওয়া হয়েছে পেট্রোল ও লুব্রিকেন্ট খাতে, যার পরিমাণ ৭ কোটি ৪১ লাখ টাকা। নির্বাচনের বিভিন্ন বাহিনী ও সংস্থার নিয়োজিত লোকবলের ভাতা ও অন্যান্য ব্যয় পরিশোধ করে থাকে নির্বাচন কমিশন। কমিশন সম্প্রতি আইনশৃঙ্খলা সংক্রান্ত বৈঠকে সবার কাছে বাজেট চেয়েছে এবং আলোচনার পর বাজেট অনুমোদন করবে।ইখা

আরও পড়ুনঃ  দলীয় নেতাকর্মীদের হুঁশিয়ার করলেন জামায়াত আমির

সুষ্ঠু নির্বাচনের জন্য রাষ্ট্রপতি সব ধরনের সহায়তার আশ্বাস দিয়েছেন: ইসি সচিব
সুষ্ঠু ও ভালো নির্বাচনের জন্য নির্বাচন কমিশনকে রাষ্ট্রপতি সব ধরনের সহায়তার আশ্বাস দিয়েছেন বলে জানিয়েছেন ইসি সচিব আখতার আহমেদ। বুধবার (১০ ডিসেম্বর) বঙ্গভবনে রাষ্ট্রপতির সঙ্গে সাক্ষাৎ শেষে সাংবাদিকদের তিনি এ কথা জানান।ইসি সচিব বলেন, ‘সুষ্ঠু ও ভালো নির্বাচনের জন্য ইসিকে সব ধরনের সহায়তা করার বিষয়ে রাষ্ট্রপতি আশ্বাস দিয়েছেন।’বৈঠকে সিইসির পক্ষ থেকে ভোটার তালিকার ক্রম সংযোজন, রাজনৈতিক দলের নিবন্ধন এবং সংসদ নির্বাচনের দিনই গণভোট নিয়ে অবহিত করা হয়েছে বলেও জানান তিনি। এ ছাড়াও বৈঠকে ভোটের সময় বাড়ানো, ইসির সার্বিক বিষয়, প্রবাসী ভোট বিষয়ে সিইসি জানিয়েছেন বলেও উল্লেখ করেন তিনি।এদিকে নির্বাচনের তফসিল ঘোষণার বিষয়ে কমিশনারদের সঙ্গে বৈঠকে বসবেন সিইসি। ঘণ্টাখানেক পর তফসিল ঘোষণার সময় জানানো হবে।এর আগে প্রধান নির্বাচন কমিশনার এ এম এম নাসির উদ্দিনের নেতৃত্বে প্রতিনিধি দল বুধবার সকাল ১২টা ২০ মিনিটে বঙ্গভবনে পৌঁছায়।ইখা

আগামী নির্বাচনকে ঐতিহাসিক ও স্মরণীয় করে রাখার আহ্বান প্রধান উপদেষ্টার
আগামী জাতীয় নির্বাচনকে একটি নতুন বাংলাদেশ গড়ার সুযোগ হিসেবে উল্লেখ করে প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস বলেছেন, এই নির্বাচনকে সুন্দর ও সুষ্ঠুভাবে আয়োজনের মাধ্যমে স্মরণীয় করে রাখতে হবে।বুধবার (১০ ডিসেম্বর) রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন যমুনা থেকে সারাদেশের উপজেলা নির্বাহী অফিসারদের (ইউএনও) সঙ্গে ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে নির্বাচন প্রস্তুতি বিষয়ে দিকনির্দেশনা প্রদানকালে প্রধান উপদেষ্টা এ কথা বলেন।প্রধান উপদেষ্টার উপ-প্রেস সচিব আবুল কালাম আজাদ মজুমদার ভিডিও কনফারেন্সের বরাত দিয়ে এ তথ্য জানান।তিনি বলেন, ভিডিও কনফারেন্সে সব জেলা প্রশাসক, বিভাগীয় কমিশনার এবং মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের কর্মকর্তারা এ সময় অনলাইনে যুক্ত ছিলেন।এ সময় ইউএনওদের উদ্দেশে প্রধান উপদেষ্টা বলেন, ইতিহাস আমাদের নতুন করে একটি সুযোগ দিয়েছে। অন্য জেনারেশন এ সুযোগ পাবে না। এ সুযোগকে কাজে লাগাতে পারলে আমরা নতুন বাংলাদেশ গড়তে পারবো, আর যদি না পারি তাহলে জাতি মুখ থুবড়ে পড়বে।তিনি বলেন, এর আগেও আমরা নির্বাচন দেখেছি। বিগত আমলে যে নির্বাচনগুলো হয়েছে, যে কোনো সুস্থ মানুষ বলবে- এটা নির্বাচন নয়, প্রতারণা হয়েছে।প্রধান উপদেষ্টা বলেন, আগামী নির্বাচন অন্যান্য দায়িত্বের মতো নয়; বরং একটি ঐতিহাসিক দায়িত্ব। আমরা যদি ভালোভাবে এই দায়িত্বটি পালন করতে পারি, তাহলে আগামী নির্বাচনের দিনটি জনগণের জন্যও ঐতিহাসিক হবে।উপজেলা নির্বাহী অফিসারদের উদ্দেশে তিনি বলেন, আপনারা যদি সঠিকভাবে দায়িত্ব পালন করেন তাহলেই সরকার তার দায়িত্বটি সফলভাবে পালন করতে সক্ষম হবে। আগামী নির্বাচন ও গণভোট দুটিই জাতির জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। নির্বাচন আগামী পাঁচ বছরের জন্য, আর গণভোট শত বছরের জন্য।গণভোট সম্পর্কে তিনি বলেন, এর মাধ্যমে আমরা বাংলাদেশটাকে স্থায়ীভাবে পাল্টে দিতে পারি। যে নতুন বাংলাদেশ আমরা তৈরি করতে চাই, তার ভিতটা এর মাধ্যমে গড়তে পারি।সদ্য যোগ দেওয়া ইউএনওদের উদ্দেশে প্রধান উপদেষ্টা বলেন, আপনাদের প্রধান দায়িত্ব হলো একটি শান্তিপূর্ণ ও আনন্দমুখর নির্বাচন আয়োজন করা।তিনি ইউএনওদের নিজ নিজ এলাকার সব পোলিং স্টেশন পরিদর্শনের পাশাপাশি সংশ্লিষ্ট সব পক্ষ, এলাকাবাসী এবং সহকর্মীদের সঙ্গে আলোচনা করে একটি সুন্দর নির্বাচন আয়োজনের প্রস্তুতি নেওয়ার পরামর্শ দেন।গণভোট বিষয়ে ভোটারদের সচেতন করার ওপর গুরুত্বারোপ করে তিনি বলেন, ভোটারদের বোঝাতে হবে যে আপনারা মন ঠিক করে আসুন হ্যাঁ-তে দেবেন নাকি না-তে ভোট দেবেন। মন ঠিক করে আসুন।প্রধান উপদেষ্টা কর্মকর্তাদের ধাত্রীর সঙ্গে তুলনা করে বলেন, ধাত্রী ভালো হলে জন্ম নেওয়া শিশুও ভালো হয়।

আপনার মতামত লিখুনঃ

আরও পড়ুন

সর্বশেষ সংবাদ